বিদেশী সম্পত্তি কর: আপনার পকেট ফাঁকা হওয়ার আগে যা জানা জরুরি!

webmaster

해외 부동산 세금 규정 - **Prompt 1: The Aspiration Amidst Complexity**
    "A person of South Asian descent, dressed in smar...

প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আপনাদের প্রিয় বন্ধু আবারও হাজির হয়েছে এক দারুণ অথচ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে। আজকাল তো আমাদের অনেকেরই স্বপ্ন থাকে দেশের বাইরে একটা ছোট্ট নীড় গড়ার, তাই না?

কিংবা নিছকই বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিদেশের মাটিতে জমি-জমা কেনা। ভাবতেই কেমন একটা রোমাঞ্চ হয়, তাই না? কিন্তু জানেন কি, এই স্বপ্নের পথে সবচেয়ে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে বিদেশের ট্যাক্স আইন কানুন?

আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, অনেকেই এই ট্যাক্সের গোলকধাঁধায় পড়ে বেশ মুশকিলে পড়েন। এক দেশের নিয়ম আরেক দেশের সাথে মেলে না, আবার একই দেশের ভেতরেও বিভিন্ন প্রদেশের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। সঠিকভাবে না জানলে লাভের বদলে লোকসান গুনতে হতে পারে, আর মাথাচন্ত্রণও হয় ঢের!

তাই আমি মনে করি, এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই স্বচ্ছ ধারণা থাকা ভীষণ জরুরি। কোন দেশে বিনিয়োগ করছেন, সেখানকার ট্যাক্স স্ট্রাকচার কেমন, কি কি সুবিধা বা অসুবিধা আছে – এই সবকিছু খুঁটিয়ে জানাটা কেবল বুদ্ধিমানের কাজই নয়, বরং আপনার কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখার একমাত্র উপায়। এটা যেন একটা গুপ্তধন খোঁজার মতো, যেখানে মানচিত্রটা সঠিক না হলে আপনি লক্ষ্যেই পৌঁছাতে পারবেন না। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে, যখন সারা বিশ্বেই আর্থিক লেনদেন নিয়ে কঠোরতা বাড়ছে, তখন এসব তথ্য হাতে থাকা মানেই এক ধাপ এগিয়ে থাকা।আসুন, তাহলে আর দেরি না করে বিদেশের সম্পত্তি করের জটিল সব নিয়মাবলী এবং আপনার জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য একেবারে সহজভাবে জেনে নিই। নিশ্চিত থাকুন, এই বিষয়ে আমি আপনাদের একদম পাকাপাকিভাবে শিখিয়ে দেবো!

বিদেশের মাটিতে স্বপ্ন বোনার আগে: কেন এই আলোচনা?

해외 부동산 세금 규정 - **Prompt 1: The Aspiration Amidst Complexity**
    "A person of South Asian descent, dressed in smar...

প্রিয় বন্ধুরা, সত্যি বলতে কী, বিদেশের মাটিতে নিজের একটা টুকরো জমি বা একটা সুন্দর অ্যাপার্টমেন্ট কেনার স্বপ্নটা আমাদের অনেকেরই মনে খেলা করে, তাই না? এই স্বপ্নটা যত সুন্দর, এর ভেতরের প্রক্রিয়াগুলো কিন্তু ততটাই জটিল হতে পারে, বিশেষ করে ট্যাক্সের ব্যাপারটা। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, বহু মানুষ এই ট্যাক্সের মারপ্যাঁচে পড়ে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ খোয়ান। একসময় আমিও একই রকম একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম, যখন আমি প্রথমবার কানাডায় একটি বিনিয়োগের কথা ভাবছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক চললেও, সেখানকার প্রাদেশিক ট্যাক্স আইনগুলো বুঝতে আমার বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। মনে হচ্ছিল যেন একটা অন্ধকার গোলকধাঁধায় আটকা পড়েছি, যেখানে প্রতিটি মোড়ে নতুন কোনো নিয়ম অপেক্ষা করছে। এই কারণেই আমি অনুভব করেছি যে, এই বিষয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই একটা সুস্পষ্ট ধারণা থাকা ভীষণ জরুরি। শুধুমাত্র বাড়ি কেনা বা বিনিয়োগ করাটাই শেষ কথা নয়, বরং সেটিকে সঠিকভাবে টিকিয়ে রাখা এবং ট্যাক্সের হাত থেকে রক্ষা করাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। বিশ্বাস করুন, সঠিক জ্ঞান না থাকলে আপনার স্বপ্নটা অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে। তাই আসুন, প্রথম ধাপেই জেনে নিই কেন এই আলোচনা আমাদের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন কোন বিষয়গুলো শুরুতেই আমাদের মাথায় রাখা উচিত।

বিদেশী বিনিয়োগ: আকর্ষণ এবং সতর্কতা

বিদেশের মাটিতে বিনিয়োগের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরন্তন। উন্নত জীবনযাত্রা, স্থিতিশীল অর্থনীতি, ভালো রিটার্নের আশা—এই সবকিছুই মানুষকে বিদেশের দিকে টানে। কিন্তু এই আকর্ষণ কতটা বাস্তবসম্মত এবং কতটা ঝুঁকির মুখোমুখি হতে পারে, তা নিয়ে আমরা অনেকেই বিস্তারিত ভাবি না। মনে রাখবেন, একটি নতুন দেশে বিনিয়োগ মানে শুধু টাকার লেনদেন নয়, বরং সেখানকার সংস্কৃতি, আইন এবং বিশেষ করে ট্যাক্স ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়া। আমার এক বন্ধু ফ্রান্সে একটা ভিলা কেনার পর জানতে পারল যে, সেখানে বছরের নির্দিষ্ট একটা সময় বাড়ি ভাড়া না দিলে তার ওপর অতিরিক্ত কর চাপানো হয়। এই ছোট্ট তথ্য না জানার কারণে তাকে বড় অঙ্কের অর্থ জরিমানা দিতে হয়েছিল। এমন ঘটনা যে শুধু আমার বন্ধুর সাথে হয়েছে তা নয়, প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ না জেনে এমন ভুলের ফাঁদে পড়ছেন। তাই শুরুতেই সতর্ক হওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ।

স্থানীয় নিয়মাবলীর গুরুত্ব: প্রতিটি দেশের নিজস্বতা

একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন: প্রতিটি দেশের নিজস্ব ট্যাক্স এবং সম্পত্তির আইন রয়েছে। যা এক দেশে বৈধ, তা অন্য দেশে নাও হতে পারে। শুধু তাই নয়, একই দেশের বিভিন্ন রাজ্য বা প্রদেশের মধ্যেও নিয়মের ভিন্নতা থাকে। যেমন, আমেরিকার ফ্লোরিডায় সম্পত্তি কেনার নিয়ম নিউইয়র্কের থেকে অনেকটাই আলাদা। এমনকি কিছু দেশে বিদেশী নাগরিকদের জন্য সম্পত্তি কেনার বিষয়ে কঠোর বিধিনিষেধও থাকতে পারে। আমি যখন মালয়েশিয়ায় একটি প্রকল্পে কাজ করছিলাম, তখন জানতে পারি যে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু এলাকার বাইরে সম্পত্তি কেনা সম্ভব নয়। এই ধরনের স্থানীয় নিয়মাবলী সম্পর্কে আগে থেকে অবগত না থাকলে আপনার বিনিয়োগ ব্যর্থ হতে পারে এবং আপনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হতে পারেন। তাই বিনিয়োগের আগে সেখানকার স্থানীয় নিয়মকানুনগুলো খুঁটিয়ে দেখা আপনার জন্য আবশ্যক।

ট্যাক্সের গোলকধাঁধা: বিভিন্ন দেশের ভিন্ন নিয়ম

Advertisement

বিশ্বজুড়ে ট্যাক্সের নিয়মগুলো অনেকটা একটা বিশাল গোলকধাঁধার মতো, যেখানে প্রতিটি দেশের নিজস্ব রাস্তা এবং মোড় রয়েছে। আপনি যখন বিদেশের মাটিতে একটি সম্পত্তি কেনার কথা ভাবছেন, তখন এই গোলকধাঁধার প্রতিটি পথ সম্পর্কে ধারণা রাখাটা অত্যন্ত জরুরি। আমার বহু বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, অনেকেই শুধুমাত্র সম্পত্তিটির দাম এবং সম্ভাব্য ভাড়ার আয় নিয়েই চিন্তা করেন, কিন্তু এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের ট্যাক্স নিয়ে মাথা ঘামান না। অথচ এই ট্যাক্সগুলোই আপনার মোট মুনাফা নির্ধারণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। প্রতিটি দেশের কর ব্যবস্থা ভিন্ন, এবং এই ভিন্নতা কেবল করের হারেই নয়, বরং করের প্রকারভেদেও দেখা যায়। যেমন, কিছু দেশে সম্পত্তি কেনার সময় একটি বড় অঙ্কের স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে হয়, আবার কিছু দেশে বার্ষিক হোল্ডিং ট্যাক্স বা মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স বেশ বেশি হতে পারে। এছাড়াও, সম্পত্তি ভাড়া দিলে বা বিক্রি করলে তার উপর আরোপিত ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স নিয়েও স্বচ্ছ ধারণা থাকা দরকার। এই সবকিছু বুঝতে পারাটা একজন সাধারণ মানুষের জন্য সত্যিই কঠিন হতে পারে, যদি না সে একজন অভিজ্ঞ উপদেষ্টার সাহায্য নেয়।

সম্পত্তি ক্রয়ের সময়: প্রাথমিক করের বোঝা

বিদেশের মাটিতে সম্পত্তি কেনার প্রথম ধাপেই আপনাকে বিভিন্ন ধরনের প্রাথমিক করের মুখোমুখি হতে হবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো স্ট্যাম্প ডিউটি বা ট্রান্সফার ট্যাক্স, যা সম্পত্তির ক্রয়মূল্যের উপর ভিত্তি করে ধার্য করা হয়। প্রতিটি দেশে এই করের হার ভিন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ার কিছু রাজ্যে স্ট্যাম্প ডিউটি বেশ চড়া, যা বিনিয়োগের প্রাথমিক খরচ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও, কিছু দেশে নিবন্ধন ফি, আইনি ফি এবং অ্যাসেসমেন্ট ফি-এর মতো আরও কিছু খরচ যুক্ত হতে পারে। আমার মনে আছে, আমি যখন পর্তুগালে একটি বাড়ি কিনতে গিয়েছিলাম, তখন সেখানকার আইনজীবী আমাকে সমস্ত প্রাথমিক খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছিলেন, যা আমার বাজেট পরিকল্পনায় বেশ সহায়ক হয়েছিল। এই খরচগুলো সম্পর্কে আগে থেকে না জানলে আপনার বাজেট এলোমেলো হয়ে যেতে পারে এবং আপনি অপ্রস্তুত হয়ে পড়তে পারেন। তাই কেনার আগে এই প্রাথমিক করগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং আয়কর: চলমান খরচ

সম্পত্তি কেনার পরেই আপনার খরচ শেষ হয়ে যায় না, বরং শুরু হয় বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং আয়করের পালা। বেশিরভাগ দেশেই সম্পত্তির মালিকদের বার্ষিক ভিত্তিতে একটি হোল্ডিং ট্যাক্স বা মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স দিতে হয়, যা স্থানীয় সরকার বা পৌরসভার দ্বারা ধার্য করা হয়। এই ট্যাক্সের পরিমাণ সম্পত্তির অবস্থান, আকার এবং মূল্যের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। এছাড়া, যদি আপনি সম্পত্তিটি ভাড়া দেন, তবে সেই ভাড়া থেকে প্রাপ্ত আয়ের উপরও আপনাকে আয়কর দিতে হবে। কিছু দেশে, বিদেশী নাগরিকদের জন্য আয়করের হার স্থানীয় নাগরিকদের থেকে ভিন্ন হতে পারে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেমন, ইংল্যান্ডে বিদেশী জমির মালিকদের জন্য নন-রেসিডেন্ট ল্যান্ডলর্ড স্কিম (NRLS) এর মতো কিছু বিশেষ নিয়ম রয়েছে। আমার এক পরিচিত ডেনমার্কের একটা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ভালো ভাড়া পেতেন, কিন্তু সেখানকার উচ্চ আয়করের কারণে তার নিট মুনাফা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। তাই এই চলমান খরচগুলো সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা রাখা আপনার আর্থিক পরিকল্পনার জন্য অপরিহার্য।

বিক্রয় কর এবং ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স: বের হওয়ার সময়

সম্পত্তি যখন বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন, তখনও আপনাকে ট্যাক্সের মুখোমুখি হতে হবে। বেশিরভাগ দেশেই সম্পত্তি বিক্রির উপর ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স ধার্য করা হয়, যা সম্পত্তির ক্রয়মূল্য এবং বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়। এই ট্যাক্সের হার এবং নিয়ম প্রতিটি দেশে ভিন্ন হয়। কিছু দেশে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পত্তি বিক্রি করলে উচ্চ হারে ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স দিতে হয়, আবার কিছু দেশে দীর্ঘমেয়াদী হোল্ডিং-এর জন্য কর ছাড়ের সুবিধা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, জার্মানিতে একটি সম্পত্তি ১০ বছর ধরে ধরে রাখলে ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়। আমার এক আত্মীয় স্পেনে একটা ফ্ল্যাট কিনে মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে বিক্রি করে দিয়েছিলেন, এবং তাকে অপ্রত্যাশিতভাবে একটি বড় অঙ্কের ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স দিতে হয়েছিল, যা তার মুনাফাকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিল। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে যে, শুধু কেনার সময় নয়, বিক্রির সময়ও ট্যাক্স প্ল্যানিং কতটা জরুরি।

অপ্রত্যাশিত বিপদ এড়াতে: কী কী ভুল করা যাবে না?

বিদেশী সম্পত্তি কেনার সময় অসংখ্য মানুষ এমন কিছু ভুল করেন, যা তাদের আর্থিক পরিকল্পনাকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে দেয়। আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এই ভুলগুলো প্রায়শই তথ্যগত ঘাটতি বা অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে ঘটে থাকে। আমি একবার মেক্সিকোতে একটি ছোট বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছিলাম, যা প্রথমদিকে দারুণ মনে হয়েছিল। কিন্তু কাগজপত্র খুঁটিয়ে দেখতে গিয়ে বুঝলাম, সেখানে স্থানীয় আইন অনুযায়ী বিদেশীদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় সরাসরি সম্পত্তি কেনা সম্ভব নয়, বরং একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে যেতে হয়। যদি আমি এই বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই না করতাম, তাহলে হয়তো আমার সমস্ত বিনিয়োগ আটকে যেত। তাই, এই ধরনের অপ্রত্যাশিত বিপদ এড়াতে আমাদের কিছু সাধারণ কিন্তু গুরুতর ভুল এড়িয়ে চলতে হবে। সবচেয়ে বড় ভুল হলো, শুধুমাত্র আবেগপ্রবণ হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া। বিদেশের মাটিতে বিনিয়োগ একটি ঠান্ডা মাথার হিসাব-নিকাশের ব্যাপার, যেখানে আবেগের কোনো স্থান নেই।

আইনি পরামর্শকে অবহেলা করা: বড়সড় ঝুঁকি

সবচেয়ে বড় এবং মারাত্মক ভুলগুলোর মধ্যে একটি হলো আইনি পরামর্শকে অবহেলা করা। অনেকেই আইনি খরচ বাঁচানোর জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাহায্য নেন না, অথবা শুধুমাত্র স্থানীয় রিয়েল এস্টেট এজেন্টের পরামর্শের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মনে রাখবেন, রিয়েল এস্টেট এজেন্টরা বিক্রেতার পক্ষ থেকেও কাজ করেন, তাই তাদের পরামর্শ সবসময় আপনার জন্য সেরা নাও হতে পারে। একজন স্বাধীন এবং অভিজ্ঞ আইনজীবী আপনার পক্ষে কাজ করবেন এবং সমস্ত আইনি কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করবেন। তারা আপনাকে স্থানীয় ট্যাক্স আইন, সম্পত্তির অধিকার, চুক্তিপত্রের শর্তাবলী এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন। আমি আমার প্রথম বিদেশ বিনিয়োগের সময় একজন আইনজীবীর সাহায্য নিয়েছিলাম, যিনি আমাকে অনেক সম্ভাব্য সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন। তার ফি আমার কাছে তখন বড় মনে হলেও, পরবর্তীতে বুঝতে পেরেছি যে এটি ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

স্থানীয় নিয়মাবলী সম্পর্কে অজ্ঞতা: বিপদের কারণ

আরেকটি ভুল হলো স্থানীয় নিয়মাবলী সম্পর্কে অজ্ঞতা। যেমনটা আমি আগেই বলেছি, প্রতিটি দেশের এবং এমনকি প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব আইনকানুন থাকে। বিদেশী নাগরিকদের জন্য কিছু দেশে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকে, যেমন নির্দিষ্ট এলাকায় কিনতে না পারা বা নির্দিষ্ট ধরনের সম্পত্তি কিনতে না পারা। কিছু দেশে স্থানীয় রেসিডেন্সি পারমিট ছাড়া সম্পত্তি কেনা যায় না। এই ধরনের তথ্য না জেনে বিনিয়োগ করলে আপনি বড় বিপদে পড়তে পারেন। আমার এক বন্ধু ইতালিতে একটা ঐতিহাসিক বাড়ি কিনেছিলেন, কিন্তু পরে জানতে পারলেন যে স্থানীয় সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী তিনি বাড়িটার ভেতরে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন করতে পারবেন না, যা তার পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিয়েছিল। স্থানীয় নিয়মকানুনগুলো ভালোভাবে বুঝতে না পারলে আপনি শুধু আর্থিক ক্ষতির শিকারই হবেন না, বরং মানসিক অশান্তিও ভোগ করবেন।

ট্যাক্স চুক্তির সুবিধা না নেওয়া: অতিরিক্ত করের বোঝা

অনেক সময় বিদেশী বিনিয়োগকারীরা তাদের দেশ এবং যে দেশে বিনিয়োগ করছেন, সেই দুটি দেশের মধ্যে বিদ্যমান ডাবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়েডেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট (DTAA) বা দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি সম্পর্কে অবগত থাকেন না। এই চুক্তিগুলো আপনাকে একই আয়ের উপর দুটি দেশে কর দেওয়া থেকে বাঁচায়। যদি আপনি এই চুক্তিগুলোর সুবিধা সম্পর্কে না জানেন, তবে আপনাকে একই আয়ের উপর দুটি দেশে কর দিতে হতে পারে, যা আপনার মুনাফাকে অনেকটাই কমিয়ে দেবে। আমার এক মক্কেল অস্ট্রেলিয়ায় একটি বিনিয়োগ করেছিলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে এই DTAA এর সুবিধা সম্পর্কে জানতেন না, ফলে তাকে অযথা অতিরিক্ত কর দিতে হয়েছিল। যখন তিনি বিষয়টা জানতে পারলেন, তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাই, আপনার দেশ এবং বিনিয়োগের দেশের মধ্যে এমন কোনো চুক্তি আছে কিনা, তা একজন ট্যাক্স বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে জেনে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাক্স কমানোর স্মার্ট উপায়: কিছু অব্যর্থ কৌশল

Advertisement

বন্ধুরা, বিদেশের মাটিতে সম্পত্তি কেনা মানেই যে শুধু ট্যাক্স গুণতে হবে তা নয়, বরং কিছু স্মার্ট কৌশল অবলম্বন করে আপনি এই ট্যাক্সের বোঝা অনেকটাই কমাতে পারেন। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সঠিক পরিকল্পনা এবং সামান্য গবেষণার মাধ্যমে আপনি বৈধ উপায়ে আপনার ট্যাক্স দায়বদ্ধতা কমিয়ে আনতে পারবেন। মনে রাখবেন, ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া আর ট্যাক্স বাঁচানো এক জিনিস নয়। আমরা এখানে বৈধ উপায়গুলো নিয়ে কথা বলছি, যা আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করবে। আমি নিজে যখন প্রথম বিদেশে বিনিয়োগ করি, তখন এই কৌশলগুলো সম্পর্কে খুব একটা জানতাম না। কিন্তু পরবর্তীতে একজন অভিজ্ঞ আর্থিক উপদেষ্টার কাছ থেকে শিখেছি যে, কিভাবে ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে বড় অঙ্কের ট্যাক্স বাঁচানো সম্ভব। এটা অনেকটা একটা পাজলের টুকরোর মতো, যেখানে প্রতিটি টুকরো সঠিকভাবে সাজাতে পারলেই আপনি পুরো ছবিটা দেখতে পাবেন।

সঠিক বিনিয়োগ কাঠামো নির্বাচন: কৌশলী হন

ট্যাক্স কমানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো সঠিক বিনিয়োগ কাঠামো নির্বাচন করা। আপনি কি ব্যক্তিগতভাবে সম্পত্তি কিনবেন, নাকি কোনো কোম্পানি বা ট্রাস্টের মাধ্যমে কিনবেন, তা আপনার ট্যাক্স দায়বদ্ধতার উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কিছু দেশে, কর্পোরেট বিনিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট ট্যাক্স সুবিধা থাকে, আবার কিছু দেশে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু ছাড় থাকে। উদাহরণস্বরূপ, আয়ারল্যান্ডে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের বিনিয়োগের জন্য ট্যাক্স ইনসেন্টিভ দেওয়া হয়, যদি সেগুলো একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় করা হয়। আমি যখন থাইল্যান্ডে একটি বিনিয়োগের কথা ভাবছিলাম, তখন আমার আর্থিক উপদেষ্টা আমাকে একটি স্থানীয় সংস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কারণ তাতে ট্যাক্স সুবিধা বেশি ছিল। এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একজন অভিজ্ঞ ট্যাক্স উপদেষ্টার সাথে কথা বলা অত্যন্ত জরুরি, কারণ তারা আপনাকে আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী সেরা কাঠামোটি বেছে নিতে সাহায্য করতে পারবেন।

ব্যয় কমানো এবং ডিডাকশনের সুবিধা: খরচের হিসাব

বিদেশী সম্পত্তির মালিক হিসেবে আপনি কিছু খরচ ট্যাক্স থেকে বাদ দিতে পারেন, যা আপনার ট্যাক্সযোগ্য আয় কমিয়ে দেয়। এর মধ্যে রয়েছে সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণের খরচ, মেরামত খরচ, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম, সম্পত্তির উপর ধার্য করা স্থানীয় ট্যাক্স এবং এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ভ্রমণ খরচও। প্রতিটি দেশে ডিডাকশনের নিয়মাবলী ভিন্ন হতে পারে, তাই আপনাকে সেই দেশের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। আমার এক বন্ধু স্পেনে তার ভিলার রক্ষণাবেক্ষণে যে খরচ করতেন, তার একটি বড় অংশ তিনি ট্যাক্স ডিডাকশন হিসেবে দেখাতে পারতেন, যা তার ট্যাক্স বিল অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিল। তাই আপনার প্রতিটি খরচ সঠিকভাবে রেকর্ড করা এবং ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করার সময় সেগুলো উল্লেখ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে আইনগতভাবে আপনার ট্যাক্স বোঝা কমাতে সাহায্য করবে।

ডাবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়েডেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট (DTAA): সুবিধা নিন

পূর্বে উল্লেখ করা দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA) ট্যাক্স কমানোর একটি অন্যতম কার্যকর উপায়। যদি আপনার দেশ এবং আপনি যে দেশে বিনিয়োগ করছেন, সেই দুটি দেশের মধ্যে এমন কোনো চুক্তি থাকে, তবে আপনি একই আয়ের উপর দুটি দেশে কর দেওয়া থেকে মুক্তি পাবেন। এই চুক্তিগুলো সাধারণত বলে দেয় যে, আয় কোন দেশে করযোগ্য হবে, অথবা এক দেশে দেওয়া করের জন্য অন্য দেশে কীভাবে ক্রেডিট পাওয়া যাবে। যেমন, ভারতে বসবাসকারী একজন ব্যক্তি যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্পত্তি থেকে আয় করেন, তবে DTAA এর কারণে তাকে হয় ভারতে অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর দিতে হবে, উভয় স্থানে নয়। এই চুক্তিগুলো বেশ জটিল হতে পারে, তাই এর সুবিধা নিতে হলে একজন অভিজ্ঞ ট্যাক্স বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া আবশ্যক। তারা আপনাকে এই চুক্তিগুলোর খুঁটিনাটি বুঝতে এবং এর সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে সাহায্য করবেন।

আমার অভিজ্ঞতা থেকে শেখা: একজন পেশাদারের গুরুত্ব

해외 부동산 세금 규정 - **Prompt 2: Expert Guidance for Foreign Investment**
    "Inside a well-appointed consultation room,...
আমার এই দীর্ঘ পথচলায় আমি একটি বিষয় খুব ভালোভাবে বুঝেছি যে, বিদেশের মাটিতে যেকোনো বড়সড় আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ পেশাদারের সাহায্য নেওয়াটা কতটা জরুরি। এমন নয় যে আমি নিজে বুদ্ধিমান নই, কিন্তু আন্তর্জাতিক ট্যাক্স আইন বা সম্পত্তির নিয়মাবলী এতই জটিল আর পরিবর্তনশীল যে, একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে সবকিছু একা সামলানো প্রায় অসম্ভব। আমি একবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার কথা ভাবছিলাম। সবকিছু আমার কাছে পরিষ্কার মনে হচ্ছিল, কিন্তু যখন একজন স্থানীয় আর্থিক উপদেষ্টার সাথে কথা বললাম, তখন তিনি আমাকে এমন কিছু দিক দেখালেন যা আমার চোখ খুলে দিল। তিনি আমাকে সেখানকার ফ্রীহোল্ড এবং লিজেহোল্ড সম্পত্তির পার্থক্য, সার্ভিস চার্জের বিষয় এবং নির্দিষ্ট এলাকায় বিদেশী মালিকানার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানালেন। তার পরামর্শ না নিলে আমি হয়তো অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতাম।

আইনজীবী ও ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ: আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী

একজন ভালো আইনজীবী এবং একজন অভিজ্ঞ ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ বিদেশের মাটিতে আপনার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী হতে পারেন। আইনজীবী আপনাকে সম্পত্তির মালিকানা, চুক্তিপত্রের বৈধতা এবং স্থানীয় আইনগত সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সঠিক পরামর্শ দেবেন। অন্যদিকে, ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ আপনাকে সেই দেশের ট্যাক্স কাঠামো, আপনার ট্যাক্স দায়বদ্ধতা এবং ট্যাক্স কমানোর বৈধ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন। তাদের সম্মিলিত জ্ঞান আপনাকে অপ্রত্যাশিত সমস্যা থেকে রক্ষা করবে এবং আপনার বিনিয়োগকে নিরাপদ রাখবে। আমার মনে আছে, আমি যখন নিউজিল্যান্ডে একটি ছোট খামার কেনার পরিকল্পনা করছিলাম, তখন আমার আইনজীবী আমাকে নিশ্চিত করেছিলেন যে জমিটি কৃষিজমি হিসেবে নিবন্ধিত এবং এর উপর কোন পরিবেশগত বিধিনিষেধ নেই, যা আমার বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

আর্থিক উপদেষ্টা ও রিয়েল এস্টেট এজেন্ট: সঠিক নির্বাচন

একজন দক্ষ আর্থিক উপদেষ্টা আপনাকে আপনার দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক লক্ষ্যগুলির সাথে আপনার বিদেশী বিনিয়োগকে একত্রিত করতে সাহায্য করতে পারেন। তারা আপনাকে আপনার পোর্টফোলিওকে বৈচিত্র্যময় করতে এবং ট্যাক্স-দক্ষ উপায়ে বিনিয়োগ করতে সহায়তা করবেন। অন্যদিকে, একজন নির্ভরযোগ্য রিয়েল এস্টেট এজেন্ট আপনাকে বাজারের সেরা ডিলটি খুঁজে পেতে এবং স্থানীয় বাজারের প্রবণতা সম্পর্কে তথ্য দিতে সাহায্য করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, রিয়েল এস্টেট এজেন্ট নির্বাচন করার সময় আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ তারা প্রায়শই বিক্রেতার পক্ষে কাজ করেন। আমি সবসময় এমন একজন এজেন্টকে বেছে নিই, যার ভালো ট্র্যাক রেকর্ড আছে এবং যিনি আমার প্রয়োজনগুলো বুঝতে পারেন। সবশেষে, এই পেশাদারদের সাথে খোলাখুলিভাবে কথা বলা এবং আপনার সমস্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করাটা খুব জরুরি।

দেশ প্রধান ট্যাক্স বিবরণ বিদেশী বিনিয়োগকারীর জন্য বিশেষ টিপস
কানাডা প্রপার্টি ট্যাক্স, ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স প্রাদেশিক এবং পৌরসভা স্তরে বার্ষিক সম্পত্তি কর। বিক্রিতে মুনাফার উপর ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স। বিভিন্ন প্রদেশের ট্যাক্স নিয়মে ভিন্নতা যাচাই করুন। নন-রেসিডেন্ট ট্যাক্স নিয়ম সম্পর্কে জানুন।
অস্ট্রেলিয়া স্ট্যাম্প ডিউটি, ল্যান্ড ট্যাক্স, ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স ক্রয়ের সময় উচ্চ স্ট্যাম্প ডিউটি। বার্ষিক ভূমি কর। বিক্রিতে ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য অতিরিক্ত স্ট্যাম্প ডিউটি এবং সারচার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (সাধারণ) ভ্যাট (VAT), ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স, রেন্টাল ইনকাম ট্যাক্স নতুন সম্পত্তি ক্রয়ে ভ্যাট। বিক্রিতে মুনাফার উপর ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স। ভাড়ার আয়ের উপর আয়কর। দেশ ভেদে DTAA (দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি) এর সুবিধা নিন। রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস ট্যাক্সকে প্রভাবিত করতে পারে।
থাইল্যান্ড স্ট্যাম্প ডিউটি, ট্রান্সফার ফি, ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স ক্রয়ের সময় স্ট্যাম্প ডিউটি এবং ট্রান্সফার ফি। বিক্রিতে আয়কর (মূলত ক্যাপিটাল গেইনস)। বিদেশীরা সরাসরি জমি কিনতে পারে না, লিজেহোল্ড বা কোম্পানি কাঠামোর মাধ্যমে যেতে হয়।

সম্পত্তি কেনার পর: রক্ষণাবেক্ষণ ও ভবিষ্যতের ভাবনা

অনেক সময় আমরা ভাবি যে, বিদেশী সম্পত্তি কেনাটা বুঝি একটা ওয়ান-টাইম ব্যাপার। একবার কিনে ফেললেই সব সমস্যার সমাধান। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা বলছে, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বরং, সম্পত্তি কেনার পর থেকেই শুরু হয় আসল দায়িত্ব। এর রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত খরচ, এবং ভবিষ্যতে এর থেকে কীভাবে লাভবান হওয়া যায়—এই সবকিছুর জন্য চাই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। ধরুন, আপনি ইতালির টাস্কানিতে একটি পুরোনো ভিলা কিনলেন। তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে আপনি ভাবতেই পারলেন না যে এর পুরোনো স্থাপত্য টিকিয়ে রাখতে কত খরচ আর যত্ন লাগে। আমি আমার এক বন্ধুর ক্ষেত্রে দেখেছি, লন্ডনে একটি ফ্ল্যাট কেনার পর তিনি ভাড়ার আয় নিয়ে খুব আশাবাদী ছিলেন, কিন্তু নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ খরচ আর এজেন্ট ফি তার মুনাফাকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিল। তাই, কেনার আগে যেমন ট্যাক্স নিয়ে ভাবা জরুরি, ঠিক তেমনি কেনার পরের দায়িত্বগুলো নিয়েও সম্যক ধারণা থাকা আবশ্যক।

নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও খরচ: প্রত্যাশিত ব্যয়

বিদেশী সম্পত্তির মালিকানা মানে শুধু দেওয়াল আর ছাদের মালিকানা নয়, বরং এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও আনুষঙ্গিক খরচগুলোও এর সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে বীমা প্রিমিয়াম, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস), সার্ভিস চার্জ (যদি অ্যাপার্টমেন্ট বা কন্ডো হয়), এবং যেকোনো ধরনের মেরামত বা আপগ্রেডের খরচ। এই খরচগুলো দেশ এবং সম্পত্তির ধরনের উপর নির্ভর করে অনেকটাই ভিন্ন হতে পারে। কিছু দেশে, যেমন স্পেনে, কমিউনিটি ফি বা অ্যাসোসিয়েশন ফি বেশ বেশি হতে পারে। এই খরচগুলো আপনার মাসিক বা বার্ষিক বাজেট থেকে কেটে যাবে, তাই এগুলোকে আপনার আর্থিক পরিকল্পনায় অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অপ্রত্যাশিত কোনো বড় খরচের জন্য একটি জরুরি তহবিল রাখাটাও বুদ্ধিমানের কাজ।

ভাড়ার ব্যবস্থাপনা ও আয়: মুনাফার হিসাব

যদি আপনি আপনার বিদেশী সম্পত্তি ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে এর ব্যবস্থাপনার দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কি নিজে ভাড়াটি খুঁজে বের করবেন এবং সবকিছু সামলাবেন, নাকি একজন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট এজেন্টের সাহায্য নেবেন?

একজন এজেন্টের মাধ্যমে গেলে আপনার কাজ অনেক সহজ হবে, কিন্তু এর জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে, যা আপনার ভাড়ার আয় থেকে বাদ যাবে। এছাড়াও, ভাড়া থেকে প্রাপ্ত আয়ের উপর সেই দেশের আয়কর দিতে হবে, যা আমি আগেই আলোচনা করেছি। কিছু দেশে, যেমন ফ্রান্সে, স্বল্পমেয়াদী ভাড়ার জন্য বিশেষ নিয়মাবলী এবং করের হার থাকে। তাই ভাড়ার আয়ের উপর ট্যাক্সের প্রভাব এবং ম্যানেজমেন্ট খরচ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Advertisement

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও উত্তরাধিকার: দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা

বিদেশী সম্পত্তি কেনার সময় শুধু বর্তমান নিয়ে ভাবলেই হবে না, ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও করতে হবে। যদি আপনি সম্পত্তিটি আপনার উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করতে চান, তবে সেই দেশের উত্তরাধিকার আইন এবং ট্যাক্সের নিয়মাবলী সম্পর্কে জানতে হবে। কিছু দেশে, উত্তরাধিকার কর বা এস্টেট ট্যাক্স বেশ বেশি হতে পারে, যা আপনার উত্তরাধিকারীদের জন্য একটি বড় বোঝা হতে পারে। তাই এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আগে থেকেই একটি উত্তরাধিকার পরিকল্পনা তৈরি করাটা বুদ্ধিমানের কাজ। একজন আইনি এবং ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ আপনাকে এই বিষয়ে সঠিক নির্দেশনা দিতে পারবেন, যাতে আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার সম্পত্তি নিয়ে কোনো জটিলতা সৃষ্টি না হয়।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে: যাচাই বাছাইয়ের জরুরি দিক

বন্ধুরা, বিদেশের মাটিতে যখন একটা বড় অঙ্কের বিনিয়োগের কথা ভাবছেন, তখন সব থেকে বড় ঝুঁকি হলো প্রতারণার শিকার হওয়া। আজকাল অনলাইনে এত বেশি তথ্য পাওয়া যায় যে কোনটা সঠিক আর কোনটা মিথ্যা, তা যাচাই করা সত্যিই কঠিন। আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, লোভনীয় অফার বা অবিশ্বাস্য কম দামে সম্পত্তির বিজ্ঞাপনগুলোই সবচেয়ে বিপজ্জনক। আমি একবার একটা সাইটে সিঙ্গাপুরে একটা খুব কম দামে অ্যাপার্টমেন্টের বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম। প্রথমদিকে খুব উৎসাহিত হয়েছিলাম, কিন্তু পরে যখন খুঁটিয়ে দেখা শুরু করলাম, তখন বুঝলাম যে বিজ্ঞাপনটা ভুয়ো এবং ছবির ব্যবহারও বেআইনি। তাই, এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ এড়াতে আমাদের প্রত্যেককে চরম সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে যাচাই বাছাইয়ের নীতি মেনে চলতে হবে।

কাগজপত্র যাচাই: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ

সম্পত্তি কেনার আগে সমস্ত কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মধ্যে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার দলিল, প্ল্যান অ্যাপ্রুভাল, স্থানীয় সরকারের কাছ থেকে সমস্ত প্রয়োজনীয় অনুমতি, এবং কোনো ঋণের দায়ভার আছে কিনা তার প্রমাণ। এই কাজটা নিজে না করে একজন অভিজ্ঞ স্থানীয় আইনজীবীর মাধ্যমে করানো উচিত। তারা জাল দলিল বা ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র চিহ্নিত করতে পারেন। আমি সবসময় আমার আইনজীবীকে বলি, প্রতিটি কাগজের প্রতিটি লাইন যেন তিনি ভালো করে পড়েন। একবার আমি ইন্দোনেশিয়ায় একটি জমি কেনার কথা ভাবছিলাম, কিন্তু আমার আইনজীবী কাগজপত্রে একটি ছোট ভুল ধরেছিলেন, যা পরে জানা যায় যে একজন প্রতারক দ্বারা তৈরি হয়েছিল। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, আইনজীবীর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

বিক্রেতা ও এজেন্টের বিশ্বস্ততা: ভরসা অর্জনের উপায়

যাঁর কাছ থেকে সম্পত্তি কিনছেন এবং যে এজেন্টের মাধ্যমে কিনছেন, তাদের বিশ্বস্ততা যাচাই করাটাও খুব জরুরি। তাদের সম্পর্কে অনলাইনে গবেষণা করুন, তাদের আগের ক্লায়েন্টদের রিভিউ দেখুন, এবং সম্ভব হলে তাদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে কথা বলুন। একটি বিশ্বস্ত রিয়েল এস্টেট এজেন্সি নির্বাচন করা আপনার জন্য অনেক নিরাপদ হবে। আমার এক বন্ধু স্পেনে একজন স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে একটি বাড়ি কিনেছিলেন, পরে জানতে পারলেন যে এজেন্ট একজন নিবন্ধিত এজেন্টই ছিলেন না এবং তাকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছিল। তাই, আপনি যার উপর নির্ভর করছেন, তিনি কতটা নির্ভরযোগ্য তা জেনে নেওয়া আপনার জন্য অপরিহার্য। প্রয়োজনে স্থানীয় রিয়েল এস্টেট অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটে তাদের নিবন্ধন যাচাই করে নিন।

অনলাইন স্ক্যাম থেকে সাবধান: প্রযুক্তির ঝুঁকি

আধুনিক যুগে অনলাইন স্ক্যাম একটি বড় হুমকি। ভুয়ো ওয়েবসাইট, ইমেইল ফিশিং, এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন আপনার কষ্টার্জিত অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে। কোনো অফারই যদি বিশ্বাস করার মতো না হয়, তাহলে সম্ভবত তা সত্য নয়। কখনোই কোনো অনলাইন বিজ্ঞাপনের উপর অন্ধভাবে ভরসা করবেন না। কোনো অর্থ পাঠানোর আগে বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার আগে ভালোভাবে যাচাই করে নিন যে আপনি সঠিক ব্যক্তির সাথেই যোগাযোগ করছেন। আমি সবসময় চেষ্টা করি, কোনো অনলাইন লেনদেনের আগে একটি ভিডিও কল করে ব্যক্তিটিকে নিশ্চিত করতে এবং ব্যাংক ট্রান্সফারের আগে প্রতিটি তথ্য দু’বার যাচাই করি। প্রযুক্তির সুবিধা যেমন রয়েছে, তেমনি এর অপব্যবহারের ঝুঁকিও অনেক বেশি, তাই সর্বদা সতর্ক থাকাটা বুদ্ধিমানের কাজ।

글을মাচিম

প্রিয় বন্ধুরা, বিদেশের মাটিতে নিজের স্বপ্নের ঠিকানা গড়ার এই যাত্রাটা যতটা রোমাঞ্চকর, ততটাই চ্যালেঞ্জিং। আমার এতদিনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি আপনাদের শুধু একটাই কথা বলতে চাই—সঠিক জ্ঞান আর প্রস্তুতিই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা সবাই চাই আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ যেন সুরক্ষিত থাকে এবং তা থেকে যেন আমরা ভালো কিছু ফল পাই। এই ব্লগে আমরা ট্যাক্সের গোলকধাঁধা থেকে শুরু করে অপ্রত্যাশিত বিপদ এড়ানোর নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি, এই আলোচনা আপনাদের বিদেশের মাটিতে সফলভাবে বিনিয়োগের পথ খুলে দেবে। মনে রাখবেন, প্রতিটি ধাপে সতর্ক থাকা এবং অভিজ্ঞ পেশাদারদের পরামর্শ নেওয়া আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি।

Advertisement

আলরাখম সাপোর্থ ইন

১. যেকোনো বিদেশী সম্পত্তি কেনার আগে সেখানকার স্থানীয় আইন এবং ট্যাক্স ব্যবস্থা সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ ধারণা নিন। এই বিষয়ে একজন স্থানীয় আইনজীবীর পরামর্শ অপরিহার্য।

২. আপনার দেশ এবং যে দেশে বিনিয়োগ করছেন, সেই দুটি দেশের মধ্যে যদি দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA) থাকে, তবে তার সুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন। এটি আপনাকে অপ্রয়োজনীয় করের বোঝা থেকে রক্ষা করতে পারে।

৩. শুধুমাত্র সম্পত্তির দাম নিয়ে ভাববেন না, বরং বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, বীমা, এবং ইউটিলিটি বিলের মতো চলমান খরচগুলোও আপনার বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করুন।

৪. বিক্রেতা এবং রিয়েল এস্টেট এজেন্টের বিশ্বস্ততা ভালোভাবে যাচাই করুন। অনলাইনে তাদের সম্পর্কে খোঁজ নিন এবং পূর্ববর্তী গ্রাহকদের মতামত পর্যালোচনা করুন।

৫. কখনোই আবেগপ্রবণ হয়ে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। প্রতিটি পদক্ষেপ সাবধানে ফেলুন এবং সমস্ত কাগজপত্র একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে পরীক্ষা করান।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংক্ষেপে

বিদেশের মাটিতে সম্পত্তি বিনিয়োগ একটি বড় সিদ্ধান্ত, যেখানে সফল হওয়ার জন্য বিস্তারিত গবেষণা এবং পেশাদারী পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় ট্যাক্স আইন, সম্পত্তির অধিকার এবং সম্ভাব্য আইনি জটিলতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। একজন বিশ্বস্ত আইনজীবী, ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ এবং আর্থিক উপদেষ্টার সাহায্য আপনাকে অপ্রত্যাশিত আর্থিক ক্ষতি এবং প্রতারণা থেকে রক্ষা করবে। দ্বৈত কর পরিহার চুক্তির সুবিধা নেওয়া, সঠিক বিনিয়োগ কাঠামো নির্বাচন করা এবং প্রতিটি খরচ সঠিকভাবে ট্র্যাক করা আপনার ট্যাক্স দায়বদ্ধতা কমাতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে সতর্ক পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖

প্র: বিদেশের মাটিতে সম্পত্তি কেনার সময় সাধারণত কী কী ধরনের কর দিতে হতে পারে, সে সম্পর্কে যদি একটু ধারণা দেন?

উ: এই প্রশ্নটা প্রায় সবার মনেই আসে, আর আসাটা খুবই স্বাভাবিক! আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিদেশের সম্পত্তি করের বিষয়টি একটু জটিল মনে হলেও, এর মূল বিষয়গুলো জানলে খুব সহজ হয়ে যায়। যখন আপনি বিদেশে কোনো সম্পত্তি কেনেন, তখন বেশ কিছু করের মুখোমুখি হতে পারেন। প্রথমে আসে ‘প্রপার্টি ট্রান্সফার ট্যাক্স’ বা ‘স্ট্যাম্প ডিউটি’, যেটা সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় একবারই দিতে হয়। এর পরিমাণ একেক দেশে একেকরকম হতে পারে। আমার এক বন্ধু ইতালিতে একটা ফ্ল্যাট কিনেছিল, সেখানে এই ট্যাক্সটা বেশ ভালোই ছিল!
এরপর আসে ‘অ্যানুয়াল প্রপার্টি ট্যাক্স’ বা বার্ষিক সম্পত্তি কর। এটা অনেকটা আমাদের দেশে সিটি কর্পোরেশনকে দেওয়া হোল্ডিং ট্যাক্সের মতো। আপনি যতক্ষণ সম্পত্তির মালিক থাকবেন, ততক্ষণ এটা নিয়মিত দিতে হবে। এর পরিমাণ সাধারণত সম্পত্তির মূল্যের ওপর নির্ভর করে। আর সবশেষে, যদি আপনি ভবিষ্যতে সেই সম্পত্তি বিক্রি করার কথা ভাবেন, তাহলে ‘ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স’ বা মূলধন লাভ কর দিতে হতে পারে। মানে, যে দামে কিনেছিলেন তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে যে লাভ হবে, তার ওপর এই কর কাটা হবে। এছাড়া, কিছু কিছু দেশে ‘ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স’ বা উত্তরাধিকার করও থাকে, যদি সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তরিত হয়। প্রতিটি দেশের আইন ভিন্ন, তাই কোথায় কিনছেন সেটা জেনে সেই দেশের নির্দিষ্ট আইনগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আমার মতে, একজন স্থানীয় ট্যাক্স উপদেষ্টার সাথে পরামর্শ করাটা এক্ষেত্রে খুবই জরুরি। এতে অযথা কোনো ভুল করা বা বাড়তি খরচ হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

প্র: বিদেশে আয় করা সম্পত্তির ওপর কি আমাকে দুবার ট্যাক্স দিতে হবে, একবার বিদেশে আর একবার বাংলাদেশে? এর থেকে বাঁচার কোনো উপায় আছে কি?

উ: এই “ডবল ট্যাক্স” এর ভয়ে অনেকেই বিদেশের মাটিতে বিনিয়োগের কথা ভাবতেই ভয় পান! কিন্তু চিন্তা করবেন না, এর থেকে বাঁচার অনেক সুন্দর উপায় আছে। আমি নিজেও দেখেছি, এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় অনেকে দ্বিধায় ভোগেন। আসলে, দুবার কর দেওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন দেশের মধ্যে ‘ডবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়ডেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ বা DTAA নামে চুক্তি থাকে। বাংলাদেশও অনেক দেশের সাথে এই ধরনের চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো, একজন ব্যক্তি যেন একই আয়ের ওপর দুবার কর না দেন। ধরুন, আপনি যদি কোনো বিদেশি সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান, আর সেই ভাড়া থেকে প্রাপ্ত আয়ের ওপর বিদেশে কর দেন, তাহলে DTAA চুক্তির কারণে আপনাকে হয়তো বাংলাদেশে সেই আয়ের ওপর আর কর দিতে হবে না, অথবা বাংলাদেশে কর দেওয়ার সময় বিদেশ থেকে দেওয়া করের সমপরিমাণ টাকা ছাড় পাবেন। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের এবং বাংলাদেশের ট্যাক্স কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ কাগজপত্র এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। DTAA প্রতিটি দেশের জন্য ভিন্ন হতে পারে, তাই আপনার পছন্দের দেশ এবং বাংলাদেশের মধ্যে কী চুক্তি আছে তা যাচাই করে নেওয়াটা খুবই দরকার। একজন অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা আন্তর্জাতিক ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ আপনাকে এই বিষয়ে বিস্তারিত সাহায্য করতে পারবেন। আমার মনে হয়, এই চুক্তিগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার বিনিয়োগের পথে অনেক বড় একটা বাধা দূর হয়ে যাবে!

প্র: আমি যদি বিদেশের মাটিতে কেনা সম্পত্তি ভাড়া দিই, তাহলে সেই ভাড়ার আয়ের ওপর করের নিয়মকানুনগুলো কেমন হবে?

উ: হ্যাঁ, এটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, বিশেষ করে যারা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে সম্পত্তি কেনেন তাদের জন্য। আমার পরিচিত অনেকেই বিদেশের বাড়িতে ভাড়া দিয়ে বেশ ভালো একটা অতিরিক্ত আয় করেন, কিন্তু ট্যাক্সের বিষয়ে সামান্য ভুলে অনেকে বড় ঝামেলায় পড়েন। যখন আপনি বিদেশের সম্পত্তি ভাড়া দেন, তখন সেই ভাড়ার আয় আপনার জন্য একটি ‘বিদেশী আয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আয়ের ওপর করের বিষয়টি নির্ভর করে মূলত দুটি বিষয়ের ওপর: প্রথমত, আপনি যে দেশে সম্পত্তিটি ভাড়া দিয়েছেন, সেই দেশের ট্যাক্স আইন; এবং দ্বিতীয়ত, আপনার নিজস্ব আবাসিক মর্যাদা (Residential Status) এবং বাংলাদেশের ট্যাক্স আইন। সাধারণত, যে দেশে সম্পত্তি অবস্থিত, সেই দেশ প্রথমে সেই ভাড়ার আয়ের ওপর কর আদায় করে। এরপর, DTAA চুক্তির ওপর ভিত্তি করে, আপনাকে বাংলাদেশে হয়তো সেই আয়ের ওপর আর কর দিতে হবে না, অথবা বিদেশ থেকে দেওয়া করের জন্য কিছু ছাড় পাবেন। তবে, কিছু দেশে ‘উইথহোল্ডিং ট্যাক্স’ (Withholding Tax) নামে একটি প্রথা আছে, যেখানে ভাড়া দেওয়ার সময়ই ভাড়ার একটি নির্দিষ্ট অংশ ট্যাক্স হিসেবে কেটে নেওয়া হয়। এর বাইরে, কিছু খরচ যেমন মেরামত, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদির জন্য কর ছাড় পেতে পারেন, যা আপনার করযোগ্য আয় কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। তাই, ভাড়ার আয় সংক্রান্ত ট্যাক্স পরিকল্পনা করার সময় সংশ্লিষ্ট দেশের ট্যাক্স ল, DTAA চুক্তি এবং আপনার নিজস্ব আর্থিক পরিস্থিতি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একটু বুদ্ধি করে চললে এই ভাড়ার আয় থেকে আপনি বেশ ভালোই লাভ করতে পারবেন, কিন্তু ট্যাক্সের নিয়ম মানাটা আবশ্যক।প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই?
আপনাদের প্রিয় বন্ধু আবারও হাজির হয়েছে এক দারুণ অথচ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে। আজকাল তো আমাদের অনেকেরই স্বপ্ন থাকে দেশের বাইরে একটা ছোট্ট নীড় গড়ার, তাই না?
কিংবা নিছকই বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিদেশের মাটিতে জমি-জমা কেনা। ভাবতেই কেমন একটা রোমাঞ্চ হয়, তাই না? কিন্তু জানেন কি, এই স্বপ্নের পথে সবচেয়ে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে বিদেশের ট্যাক্স আইন কানুন?
আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, অনেকেই এই ট্যাক্সের গোলকধাঁধায় পড়ে বেশ মুশকিলে পড়েন। এক দেশের নিয়ম আরেক দেশের সাথে মেলে না, আবার একই দেশের ভেতরেও বিভিন্ন প্রদেশের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। সঠিকভাবে না জানলে লাভের বদলে লোকসান গুনতে হতে পারে, আর মাথাচন্ত্রণও হয় ঢের!
তাই আমি মনে করি, এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই স্বচ্ছ ধারণা থাকা ভীষণ জরুরি। কোন দেশে বিনিয়োগ করছেন, সেখানকার ট্যাক্স স্ট্রাকচার কেমন, কি কি সুবিধা বা অসুবিধা আছে – এই সবকিছু খুঁটিয়ে জানাটা কেবল বুদ্ধিমানের কাজই নয়, বরং আপনার কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখার একমাত্র উপায়। এটা যেন একটা গুপ্তধন খোঁজার মতো, যেখানে মানচিত্রটা সঠিক না হলে আপনি লক্ষ্যেই পৌঁছাতে পারবেন না। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে, যখন সারা বিশ্বেই আর্থিক লেনদেন নিয়ে কঠোরতা বাড়ছে, তখন এসব তথ্য হাতে থাকা মানেই এক ধাপ এগিয়ে থাকা।আসুন, তাহলে আর দেরি না করে বিদেশের সম্পত্তি করের জটিল সব নিয়মাবলী এবং আপনার জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য একেবারে সহজভাবে জেনে নিই। নিশ্চিত থাকুন, এই বিষয়ে আমি আপনাদের একদম পাকাপাকিভাবে শিখিয়ে দেবো!

প্র: বিদেশের মাটিতে সম্পত্তি কেনার সময় সাধারণত কী কী ধরনের কর দিতে হতে পারে, সে সম্পর্কে যদি একটু ধারণা দেন?

উ: এই প্রশ্নটা প্রায় সবার মনেই আসে, আর আসাটা খুবই স্বাভাবিক! আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিদেশের সম্পত্তি করের বিষয়টি একটু জটিল মনে হলেও, এর মূল বিষয়গুলো জানলে খুব সহজ হয়ে যায়। যখন আপনি বিদেশে কোনো সম্পত্তি কেনেন, তখন বেশ কিছু করের মুখোমুখি হতে পারেন। প্রথমে আসে ‘প্রপার্টি ট্রান্সফার ট্যাক্স’ বা ‘স্ট্যাম্প ডিউটি’, যেটা সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় একবারই দিতে হয়। এর পরিমাণ একেক দেশে একেকরকম হতে পারে। আমার এক বন্ধু ইতালিতে একটা ফ্ল্যাট কিনেছিল, সেখানে এই ট্যাক্সটা বেশ ভালোই ছিল!
এরপর আসে ‘অ্যানুয়াল প্রপার্টি ট্যাক্স’ বা বার্ষিক সম্পত্তি কর। এটা অনেকটা আমাদের দেশে সিটি কর্পোরেশনকে দেওয়া হোল্ডিং ট্যাক্সের মতো। আপনি যতক্ষণ সম্পত্তির মালিক থাকবেন, ততক্ষণ এটা নিয়মিত দিতে হবে। এর পরিমাণ সাধারণত সম্পত্তির মূল্যের ওপর নির্ভর করে। আর সবশেষে, যদি আপনি ভবিষ্যতে সেই সম্পত্তি বিক্রি করার কথা ভাবেন, তাহলে ‘ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স’ বা মূলধন লাভ কর দিতে হতে পারে। মানে, যে দামে কিনেছিলেন তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে যে লাভ হবে, তার ওপর এই কর কাটা হবে। এছাড়া, কিছু কিছু দেশে ‘ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স’ বা উত্তরাধিকার করও থাকে, যদি সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তরিত হয়। প্রতিটি দেশের আইন ভিন্ন, তাই কোথায় কিনছেন সেটা জেনে সেই দেশের নির্দিষ্ট আইনগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আমার মতে, একজন স্থানীয় ট্যাক্স উপদেষ্টার সাথে পরামর্শ করাটা এক্ষেত্রে খুবই জরুরি। এতে অযথা কোনো ভুল করা বা বাড়তি খরচ হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

প্র: বিদেশে আয় করা সম্পত্তির ওপর কি আমাকে দুবার ট্যাক্স দিতে হবে, একবার বিদেশে আর একবার বাংলাদেশে? এর থেকে বাঁচার কোনো উপায় আছে কি?

উ: এই “ডবল ট্যাক্স” এর ভয়ে অনেকেই বিদেশের মাটিতে বিনিয়োগের কথা ভাবতেই ভয় পান! কিন্তু চিন্তা করবেন না, এর থেকে বাঁচার অনেক সুন্দর উপায় আছে। আমি নিজেও দেখেছি, এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় অনেকে দ্বিধায় ভোগেন। আসলে, দুবার কর দেওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন দেশের মধ্যে ‘ডবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়ডেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ বা DTAA নামে চুক্তি থাকে। বাংলাদেশও অনেক দেশের সাথে এই ধরনের চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো, একজন ব্যক্তি যেন একই আয়ের ওপর দুবার কর না দেন। ধরুন, আপনি যদি কোনো বিদেশি সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান, আর সেই ভাড়া থেকে প্রাপ্ত আয়ের ওপর বিদেশে কর দেন, তাহলে DTAA চুক্তির কারণে আপনাকে হয়তো বাংলাদেশে সেই আয়ের ওপর আর কর দিতে হবে না, অথবা বাংলাদেশে কর দেওয়ার সময় বিদেশ থেকে দেওয়া করের সমপরিমাণ টাকা ছাড় পাবেন। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের এবং বাংলাদেশের ট্যাক্স কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ কাগজপত্র এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। DTAA প্রতিটি দেশের জন্য ভিন্ন হতে পারে, তাই আপনার পছন্দের দেশ এবং বাংলাদেশের মধ্যে কী চুক্তি আছে তা যাচাই করে নেওয়াটা খুবই দরকার। একজন অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা আন্তর্জাতিক ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ আপনাকে এই বিষয়ে বিস্তারিত সাহায্য করতে পারবেন। আমার মনে হয়, এই চুক্তিগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার বিনিয়োগের পথে অনেক বড় একটা বাধা দূর হয়ে যাবে!

প্র: আমি যদি বিদেশের মাটিতে কেনা সম্পত্তি ভাড়া দিই, তাহলে সেই ভাড়ার আয়ের ওপর করের নিয়মকানুনগুলো কেমন হবে?

উ: হ্যাঁ, এটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, বিশেষ করে যারা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে সম্পত্তি কেনেন তাদের জন্য। আমার পরিচিত অনেকেই বিদেশের বাড়িতে ভাড়া দিয়ে বেশ ভালো একটা অতিরিক্ত আয় করেন, কিন্তু ট্যাক্সের বিষয়ে সামান্য ভুলে অনেকে বড় ঝামেলায় পড়েন। যখন আপনি বিদেশের সম্পত্তি ভাড়া দেন, তখন সেই ভাড়ার আয় আপনার জন্য একটি ‘বিদেশী আয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আয়ের ওপর করের বিষয়টি নির্ভর করে মূলত দুটি বিষয়ের ওপর: প্রথমত, আপনি যে দেশে সম্পত্তিটি ভাড়া দিয়েছেন, সেই দেশের ট্যাক্স আইন; এবং দ্বিতীয়ত, আপনার নিজস্ব আবাসিক মর্যাদা (Residential Status) এবং বাংলাদেশের ট্যাক্স আইন। সাধারণত, যে দেশে সম্পত্তি অবস্থিত, সেই দেশ প্রথমে সেই ভাড়ার আয়ের ওপর কর আদায় করে। এরপর, DTAA চুক্তির ওপর ভিত্তি করে, আপনাকে বাংলাদেশে হয়তো সেই আয়ের ওপর আর কর দিতে হবে না, অথবা বিদেশ থেকে দেওয়া করের জন্য বিদেশ থেকে দেওয়া করের সমপরিমাণ ছাড় পাবেন। তবে, কিছু দেশে ‘উইথহোল্ডিং ট্যাক্স’ (Withholding Tax) নামে একটি প্রথা আছে, যেখানে ভাড়া দেওয়ার সময়ই ভাড়ার একটি নির্দিষ্ট অংশ ট্যাক্স হিসেবে কেটে নেওয়া হয়। এর বাইরে, কিছু খরচ যেমন মেরামত, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদির জন্য কর ছাড় পেতে পারেন, যা আপনার করযোগ্য আয় কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। তাই, ভাড়ার আয় সংক্রান্ত ট্যাক্স পরিকল্পনা করার সময় সংশ্লিষ্ট দেশের ট্যাক্স ল, DTAA চুক্তি এবং আপনার নিজস্ব আর্থিক পরিস্থিতি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একটু বুদ্ধি করে চললে এই ভাড়ার আয় থেকে আপনি বেশ ভালোই লাভ করতে পারবেন, কিন্তু ট্যাক্সের নিয়ম মানাটা আবশ্যক।

📚 তথ্যসূত্র

Advertisement